ল্যাবস্ক্যান হসপিটালে প্যাথোলজি বিভাগের কর্মচারি মুনের দুর্ব্যবহারে গ্রহিতারা অতিষ্ঠ

যশোর: যশোর ল্যাবস্ক্যান হসপিটালে প্যাথোলজি বিভাগের কর্মচারি মুনিয়া মুনের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহিতাদের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সেবা গ্রহিতারা তার রুমের সামনে জড়ো হলে তিনি দুর্ব্যবহার সহ অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা বলেন। গ্রাম-গঞ্জ থেকে আসা মানুষকে চাষা-ভূষা, ক্ষেত-খামার বলে অপমান করেন। মুনের অপমানে প্রতিনিয়ত এই হাসপিটাল থেকে চাপা কষ্ট নিয়ে শত শত গ্রাম-গঞ্জ থেকে সেবা গ্রহীতারা বাড়ি ফিরচ্ছেন। সাধারণ মানুষ তার দুর্ব্যবহারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মুনিয়া মুন ল্যাবস্ক্যান হসপিটালের প্যাথোলজি বিভাগের ১ নং রুমের কর্মচারি। এখানে ডিজিটাল ম্যামোগ্রাফী ও রক্ত পরীক্ষা করা হয়। বিভিন্ন শিফটে এখানে কর্মচারিরা দায়িত্ব পালন করে। মুনের শিফটে অতিরিক্ত দুর্ব্যবহারের কারণে সাধারণ মানুষ এখানে ডাক্তার দেখিয়ে অন্য হসপিটালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে যান। সোমবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত মুন দায়িত্বে ছিলেন। তার দপ্তরে সেবা নিতে আসা আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আমরা গ্রামের মানুষ। তেমন লেখাপড়া জানিনা। হাডের ডাক্তারের কাছে এসেছিলাম। প্যাথোলজি বিভাগের সামনে দাড়িয়ে পাশের একজনের সাথে কথা বলছিলাম। মুন আপা আমারসহ উপস্থিত সবাইকে উদ্দেশ্যে করে বিশ্রী ভাষায় অপমান করে। শুনেছি তার ব্যবহার খুবই খারাপ। সেই কারণে তার দপ্তরের সামনে কেউ যায় না। আমরা বিষয়টা জানতাম না। সে কারণে ভুল করে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
সাবিনা ইয়ানমিন নামে অপর এক সেবা গ্রহিতা বলেন, মুন আপার ব্যবহার খুবই খারাপ। সে বেশি ভীড় পছন্দ করে। তার বিভাগের সামনে বেশি ভীড় হলে তিনি বেশি রেগে যান। বিনা কারণে সেবা গ্রহীতাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। আমি এখানে ডাক্তার দেখায় কিন্তু তার শিফটে প্যাথোলজি বিভাগে কোন রক্তের পরীক্ষা করায় না। ইবনেসিনা হসপিটালে যায়।
বিষয়টি জানতে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজ পারভীনের ব্যবহরিত মোবাইলে একাধিক বার কল দিলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।