‘জেলা প্রশাসকের পরামর্শে মাদ্রাসার জমি উদ্ধারে মসজিদ ও এতিমখানার নামে মামলা করা হয়েছে’

labual haq ripon

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর: যশোরের সিঙ্গিয়া হাফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি লাবুয়াল হক রিপন বলেছেন, যশোরের জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) পরামর্শে মসজিদ ও এতিমখানার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদ্রাসাটি ধ্বংস করার জন্য একটি মহল নানা অপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা মাদ্রাসাটিকে কুক্ষিগত করে ফাঁদয়া লুটতে চায়। তাদের অন্যায় কাজে বাঁধা দেওয়ার কারণে অপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তবে এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) অনিন্দিতা রায় বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। আমার নাম ব্যবহার করে কেউ কিছু করে থাকতে পারে। তবে তিনি যশোরে দুদক চেয়ারম্যানের একটি অনুষ্ঠানে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।
বিকালে ফোন ব্যাক করে বলেন, বসুন্দিয়া সিঙ্গিয়া মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কেউ কোন দিন আমার কাছে পরামর্শ নিতে আসেনি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে মামলার করার কথা আমি কোন দিন কাউকে বলেনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তেব্যে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, মাদ্রাসাটি ১৩ শতক জমির উপর নির্মিত। কিন্তু একটি মহল ওই জমি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে হাল রেকর্ডে সিঙ্গিয়া মাদ্রাসার নামে ৭শতক জমি করে দেয়। এ কারণে তিনি মাদ্রাসার পক্ষে মামলা করে দেন। যে কারণে ওই মহলটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নানা রকম ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। আর এতে করে বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে শিক্ষা কার্যক্রম ধ্বংস হতে চলেছে। বন্ধ হবে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়াশুনো।

সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার সভাপতি এস এম লাবুয়াল হক রিপন, শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, মাসুমা সুলতানাসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সংবাদ সম্মেলন শেষে কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, আমরা খুব সমস্যায় আছি। আমাদের উপর চরম নির্যাতন করা হয়। আমাদেরকে জোর পূর্বক সংবাদ সম্মেলনে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা বাধ্য হয়ে মাদ্রাসা বন্ধ করে এনেছি।