সাংবাদিক ও কবি ফখরে আলমের ইন্তেকাল

যশোর : যশোরের কালের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক ও কবি ফখরে আলম ইন্তেকাল করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বাসা থেকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ক্যানসারে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর একপর্যায়ে তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তিও হারান। ফখরে আলম বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ফখরে আলম দৈনিক কালের কণ্ঠে দায়িত্বরত ছিলেন। এর আগে তিনি ১৯৮৫ সালে সাপ্তাহিক রোববারের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরে তিনি আজকের কাগজ, মানবজমিন জনকণ্ঠ, আমাদের সময়, যায়যায়দিন, ভোরের কাগজ, বাংলাবাজার পত্রিকায় কাজ করেছেন। কবিতা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ প্রভৃতি বিষয়ে ফখরে আলম ৩৪টি বই লিখেছেন। তার মধ্যে ‘রিপোর্টারের ডায়েরি’, ‘হাতের মুঠোয় সাংবাদিকতা’, ‘ডাকে প্রেম তুষার চুম্বন’, ‘যশোরের গণহত্যা’, ‘তুই কনেরে পাতাসী’, ‘খুলে ফেলি নক্ষত্রের ছিপি’, ‘এ আমায় কনে নিয়ে আলি’, ‘অন্ধকার চুর্ণ করি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
ফখরে আলম বৃদ্ধা মা, স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, ৩ বোনসহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। যশোর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা তার বাবা মরহুম শামসুল হুদা ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাদআছর যশোর জিলা স্কুল মাঠে মরহুমের জানাজার পর তার মরাদেহ চাঁচড়ার পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।