একি কান্ড ! সন্ত্রাসী কায়দায় চায়ের দোকান ভাঙ্গল চেয়ারম্যান

এ আলী, বেনাপোল :
ক্ষমতার অপব্যবহার করে চেয়ারম্যান হীনমন্যতার পরিচয় দিয়েছে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। শার্শার নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে চা-পান দোকান, পরিষদের গাছ বিক্রি, সরকারী নদীর বালি উত্তোলন করে বিক্রি, ধারের টাকা ফেরত না দেওয়া, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির টাকা আত্নসাতসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

পাওনা টাকা চাওয়ায় নিজ হাতে সন্ত্রাসী কায়দায় চেয়ারম্যান চায়ের দোকান ভেঙ্গে দিয়েছে বলে গোড়পাড়া বড়বাড়ীর লোকমান হোসেনের ছেলে দোকানী আজিজুর রহমান অভিযোগ করেন। এদিকে চেয়ারম্যানের নামে ফেসবুকে মানহানির জন্য ও আজিজুর রহমানের নামে শার্শা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী হয়েছে। শার্শা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী নম্বর : ৮৩২ তারিখ : ২০.১১.২০২০।

জানা যায় পরিষদে নিজামপুর বনাম শিয়ালকোনা গাতিপাড়ার একটি পারিবারিক সালিশের জন্য প্রস্তুতি চলছিল। এসময় চেয়ারম্যান চৌকিদারকে দোকানে চা আনার জন্য গেলে দোকানী পাওনা টাকা পেলে চা দিতে পারবে বলে সাফ জানিয়ে দেয়। চা না দেওয়ায় চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানে এসে নিজ হাতে দ্রব্য সামগ্রী ভেঙ্গে ফেলে।

আজিজুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান আমার নিকট চৌকিদার পাঠিয়েছে চায়ের জন্য। আমি সাফ জানিয়ে দেই পাওনা টাকা না পেলে চা দিব না। একথা শুনে চেয়ারম্যান এসে আমার দোকানের চা, পান, সিগারেট, বিস্কুট, কলাসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী ছুড়ে ফেলেন। চুলাটি ভেঙ্গে দেওয়ার পর আমি পাইপটি নিয়ে যাই। পরে বাকি ৬ হাজার, মালের দরুন ৪ হাজার ও ভেঙ্গে ফেলার জন্য ২ হাজারসহ মোট ১২ হাজার টাকা আমাকে দেয়। আমার এই এক বছরে বাকি পাওনা ১৩হাজার ৩শত ৮৮ টাকা।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজিজুর নিজেই তার ঐসব ভেঙ্গেচুরে নিয়ে গেছে আমি ঐ সময়ে পরিষদে ছিলাম না। পরক্ষণেই বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে আমি শার্শা থানায় জিডি করি।